কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শুক্রবার, ২৫ জুলাই, ২০২৫ এ ০৩:৫১ PM

এক নজরে

কন্টেন্ট: পাতা

প্রতিষ্ঠা ও নামকরণ : বিংশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কেন্দুয়া উপজেলার তৎকালীন বিদ্যুৎসাহী ব্যক্তিবর্গের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় ১৯৭০ সনের ১লা জানুয়ারী ‘‘কেন্দুয়া কলেজ” প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি কেন্দুয়া উপজেলার পৌরসদরে অবস্থিত। এর একপাশে রাজী নদী ও অন্যপাশে দিগন্ত ছোঁয়া হাওড়।

ইতিহাস ঐতিহ্যের লীলাভূমি মৈমনসিংহ গীতিকার উর্বর জনপদ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত নেত্রকোনা জেলার বৃহত্তর কেন্দুয়া উপজেলায় তিন লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। উপজেলার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ কেন্দুয়া সরকারি কলেজ ১৯৭০ সনে প্রতিষ্ঠার পর থেকে নেত্রকোণা জেলাধীন ভাটী অঞ্চল মদন, মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুড়ি, কলমাকান্দা, আটপাড়া এবং পার্শ্ববর্তী জেলা কিশোরগঞ্জের তাড়াইল ও ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ ও নান্দাইল উপজেলার এই বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখে যাচ্ছে।

প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, আইনবিদ, রাজনৈতিক, কবি-সাহিত্যিক, পুঁথিকার, বাউল, পালাকার সহ বহু গুণীজনের স্মৃতিধন্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সমৃদ্ধ কেন্দুয়াতে অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে শিক্ষাক্ষেত্রে কেন্দুয়ার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ কেন্দুয়া সরকারি কলেজটি উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছে। বিশেষ করে সর্বক্ষেত্রে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেয়ার সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উচ্চ শিক্ষায় সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখছে। অত্র প্রতিষ্ঠানটি সরকারিকরণের ফলে সাধারণ মানুষের সন্তানরা সহজেই উচ্চ শিক্ষা অর্জন করতে পারবে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সর্বসাধারণের জন্যে সাধারণ শিক্ষা সহ উচ্চ শিক্ষার দ্বার প্রসারিত হবে ।

অত্র কেন্দুয়া সরকারি কলেজে এইচ.এস.সি (মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা), স্নাতক (পাশ), বিএ, বিএসএস ও বিবিএস এবং স্নাতক(সম্মান) (বাংলা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, দর্শন ও ব্যবস্থাপনা) শ্রেণিতে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল লাভ করে আসছে । সরকারিকরণের ফলে কেন্দুয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা জাতির মুখ উজ্জ্বল করতে আরও কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখবে ।

কেন্দুয়া সরকারি কলেজটি কেন্দুয়ার সর্ববৃহৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে জাতীয়করণের মহৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ সফলতা লাভ করবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি ।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন